বাংলাদেশ

ঢাকায় শুরু হলো ‘অ্যান অ্যাপল ট্রি ইনসাইড দ্য হেড’ প্রদর্শনী

বাংলাদেশি চলচ্চিত্র ‘অ্যান অ্যাপল ট্রি ইনসাইড দ্য হেড’ অবলম্বনে ঢাকায় শুরু হয়েছে একই নামে আলোকচিত্র প্রদর্শনী। মঙ্গলবার রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকার লা গ্যালারিতে প্রদর্শনীটির উদ্বোধন হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকার পরিচালক ফ্রাঁসোয়া শামব্রো, চলচ্চিত্রটির প্রযোজক জসীম আহমেদ, অভিনয়শিল্পী জয়িতা মহলানবীশ এবং লেখক ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক মানস চৌধুরী। এ সময় চলচ্চিত্রটির নির্মাতা মোহাম্মদ ফজলে রাব্বি মৃধা, প্রযোজক আরিফুর রহমান ও অন্য কলাকুশলীরা উপস্থিত ছিলেন।.ভিউজ অ্যান্ড ভিশন ও গুপী বাঘা প্রডাকশনস লিমিটেডের যৌথ আয়োজনে চলচ্চিত্রটি নির্মাণের সময় সিনেম্যাটিক দৃশ্য অবলম্বনে ধারণ করা আলোকচিত্র এ প্রদর্শনীতে তুলে ধরা হয়েছে। পুরো গল্পটি প্রকাশ না করেই ছবিগুলোতে চলচ্চিত্রের চরিত্র, আবহ, অভিনয়শিল্পীদের অভিব্যক্তি ও সামগ্রিক দৃশ্যপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।প্রকল্পটি নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে ফ্রাঁসোয়া শামব্রো বলেন, ‘প্রদর্শনীটি পুরো চলচ্চিত্রের একটি প্রতিফলন। পরিচালক ও প্রযোজকদের অভিনন্দন।’ স্থানীয় শিল্পচর্চার প্রতি তাঁদের প্রতিষ্ঠানের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ‘আলিয়ঁস সব সময় শিল্পের পাশে থাকবে।’.প্রযোজক আরিফুর রহমান বলেন, ‘প্রদর্শনীটি আলোকচিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্রটিকে একটি নতুন জীবন দিয়েছে এবং প্রচলিত পরিবেশনা কাঠামোর বাইরে গিয়ে দর্শকদের এটি উপভোগ করার সুযোগ করে দিচ্ছে।’ফজলে রাব্বি মৃধার রচনা ও পরিচালনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রের গল্প মিন্টু মৃধা নামের একটি চরিত্র ঘিরে, যার স্ত্রী জেসমিন ও ছেলে সোহাগ প্রায়ই ঘোরগ্রস্তের মতো বাড়ি থেকে দূরে কোথাও হারিয়ে যায়। পরিবারে কোনো অদৃশ্য শক্তির প্রভাব পড়েছে বিশ্বাস করে মিন্টু এক সাধুর শরণাপন্ন হয়। সাধু তাকে একটি আশীর্বাদপুষ্ট আপেল দেয়, যার রোগ নিরাময় ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়। বাস্তবতা ও বিভ্রমের মধ্যকার সীমারেখা যখন অস্পষ্ট হতে শুরু করে, তখন সেই আপেলটি মুক্তির উপায়, এক প্রলোভন ও রহস্যময় সংকেত হয়ে ওঠে।.চলচ্চিত্রটিতে অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনোয়ার, জয়িতা মহলানবীশ, আবুল কালাম আজাদ ও সোহাগ মৃধা। এটি প্রযোজনা করেছেন আরিফুর রহমান, বিজন ও জসীম আহমেদ।প্রদর্শনীটি প্রতিদিন বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। চলবে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/0w5eo9a5fk

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *