রাজনীতি
মার্কিন চুক্তি আসলে চুক্তি নয়, এটা ট্রাম্পের আদেশনামা: আনু মুহাম্মদ

সমাবেশে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ব্রিটিশরা নিজেদের শাসন ও শোষণ টিকিয়ে রাখতে একসময় সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করত। বর্তমান সরকারও দেশের স্বার্থবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড থেকে জনগণের নজর ঘোরাতে কৃত্রিম বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দেশের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে জনগণ সরকারকে ক্ষমতায় আনেনি, বরং ট্রাম্প তাঁদের সরকারে এনে বসিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বহু ত্যাগ ও লড়াই-সংগ্রামের বিনিময়ে অর্জিত একটি দেশে কীভাবে জনগণের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা সবাইকে খেয়াল করতে হবে। কেবল নীরব দর্শক হয়ে থাকলে চলবে না; সরকারকে এ ধরনের গণবিরোধী চুক্তি থেকে সরে আসতে বাধ্য করতে হবে।’
মার্কিন চুক্তির ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে গবেষক মাহতাব উদ্দীন আহমেদ বলেন, এই চুক্তি বহাল থাকলে দেশের বাণিজ্যিক সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে। এতে পণ্যের দাম বাড়বে এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে। ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বন্দর ইজারা দেওয়ার পূর্ণাঙ্গ শর্ত ও চুক্তি এখনো প্রকাশ করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বরাবরের মতো অস্বচ্ছতার পথেই হাঁটছে।
সমাবেশে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ব্রিটিশরা নিজেদের শাসন ও শোষণ টিকিয়ে রাখতে একসময় সাম্প্রদায়িক বিভাজন তৈরি করত। বর্তমান সরকারও দেশের স্বার্থবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড থেকে জনগণের নজর ঘোরাতে কৃত্রিম বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘দেশের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে জনগণ সরকারকে ক্ষমতায় আনেনি, বরং ট্রাম্প তাঁদের সরকারে এনে বসিয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে বহু ত্যাগ ও লড়াই-সংগ্রামের বিনিময়ে অর্জিত একটি দেশে কীভাবে জনগণের স্বার্থ বিকিয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা সবাইকে খেয়াল করতে হবে। কেবল নীরব দর্শক হয়ে থাকলে চলবে না; সরকারকে এ ধরনের গণবিরোধী চুক্তি থেকে সরে আসতে বাধ্য করতে হবে।’
মার্কিন চুক্তির ক্ষতিকর দিক তুলে ধরে গবেষক মাহতাব উদ্দীন আহমেদ বলেন, এই চুক্তি বহাল থাকলে দেশের বাণিজ্যিক সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তা চরম হুমকির মুখে পড়বে। এতে পণ্যের দাম বাড়বে এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত হবে। ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বন্দর ইজারা দেওয়ার পূর্ণাঙ্গ শর্ত ও চুক্তি এখনো প্রকাশ করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার বরাবরের মতো অস্বচ্ছতার পথেই হাঁটছে।


