এআই
এআই এজেন্ট, যে সহকারী নিজেই কাজ করে ফেলে

কল্পনা করুন, সকাল ছয়টা। আপনি ঘুম থেকে ওঠার আগেই কেউ আপনার ই–মেইলগুলো পড়ে সম্ভাব্য উত্তর তৈরি করে ফেলছে, বৈঠকের সময় ঠিক করছে, এমনকি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের টিকিটও কেটে রাখছে। অবিশ্বাস্য শোনালেও এমন সহকারীই এখন তৈরি হচ্ছে, যার নাম এআই এজেন্ট বা এআই সহকারী।.সাধারণ চ্যাটবট শুধু উত্তর দেয়। কিন্তু এজেন্ট নিজে ধাপে ধাপে কাজ করতে পারে আপনার দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ঢোকে, ফর্ম পূরণ করে, ই–মেইল পাঠায় ইত্যাদি।চ্যাটবট যদি পরামর্শদাতা হয়, এজেন্ট হলো হাত-পা লাগিয়ে কাজ করা ‘কর্মী’।ঝুঁকিটা কোথায়?যে সহকারী আপনার হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, সে ভুল সিদ্ধান্তও নিতেই পারে। হয়তো ভুল মানুষকে টাকা পাঠিয়ে দিল বা গোপন ই–মেইল পাঠিয়ে দিল ভুল ঠিকানায়। আবার প্রতারকেরাও কৌশলে হ্যাক করে এজেন্টকে দিয়ে ‘অন্যায়’ কাজ করিয়ে নিতে পারে।.এজেন্ট যত বেশি অনুমতি পায়, ক্ষমতা তত বাড়ে, আবার ঝুঁকিও তত বাড়তে থাকে। তাই অনুমতি দেওয়ার আগে ভাবুন। কোন কাজটা সে নিজে করতে পারবে? কোন কাজে আপনার অনুমোদন লাগবে? টাকার লেনদেনে সব সময় নিজে ‘হ্যাঁ’ বলুন।প্রযুক্তিবিদেরা বলছেন, ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করাই নিরাপদ। আগামী কয়েক বছরে এমন সহকারী আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আরও সাধারণ ‘সঙ্গী’ হয়ে উঠবে। তখন সুবিধা যেমন বাড়বে, নিরাপত্তার দায়ও তেমন বাড়বে।এজেন্ট কোনো জাদু নয়, বিপদও নয়। তবে লাগামটা মানুষের হাতেই থাকা উচিত।লেখক: টেক ব্লগার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটর
Source: https://www.prothomalo.com/technology/artificial-intelligence/19x0lzrqd9

