কার্যক্রম
পানাউল্লারচর বধ্যভূমি পরিষ্কার করল ভৈরব বন্ধুসভা

বন্ধুদের কেউ ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পানি আনেন, কেউ ঝাড়ু দেন, কেউ ধুয়েমুছে পরিষ্কার করেন। ঘণ্টাখানেক পর বধ্যভূমি তার পুরোনো রূপ ফিরে পায়। পরিষ্কার করার সময় আগ্রহী অনেকেই দেখতে আসেন, বন্ধুসভার কাজের প্রশংসা করেন। একজন বলল, ‘আপনাদের অনেক ধন্যবাদ জায়গাটি পরিষ্কারের জন্য।’ বধ্যভূমির পাশেই আছে মনচূড়া কফি হাউস। কফি হাউসের কর্ণধার শাহীন কাদীর এসে বন্ধুদের বলেন, ‘সব শেষ করে আমার এখানে খিচুড়ি খেয়ে যাবেন সবাই। আপনাদের এই কাজের জন্য আমার পক্ষ থেকে উপহার।’
বধ্যভূমি গড়ে ওঠার পেছনে গল্প শোনান প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক সুমন মোল্লা। তিনি বলেন, ‘১৪ এপ্রিল ভৈরবে প্রবেশ করে পাকিস্তানি বাহিনী। আকাশে দেখা গেল চারটি জেট বিমান, একাধিক হেলিকপ্টার ও গানশিপ। শুরু হয় নির্বিচার হত্যা, গুলিবর্ষণ আর অগ্নিসংযোগ। প্রাণ বাঁচাতে হাজারখানেক মানুষ জড়ো হন উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পানাউল্লারচর খেয়াঘাটে। উদ্দেশ্য নৌকাযোগে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিয়ে পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর বেলাব উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আশ্রয় নেওয়া। খেয়াঘাটে হাজারো মানুষের ঢল, কিন্তু খেয়া মাত্র একটি। কেউ সাঁতরে, ছোট শিশুদের কোলে নিয়ে যে যাঁর মতো নদী পার হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু খেয়া পার হওয়ার আগেই পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে শহীদ হন সাড়ে তিন শ মানুষ। রক্তে ব্রহ্মপুত্রের স্বচ্ছ পানি লাল হয়ে গিয়েছিল। সবকিছু থেমে যাওয়ার পরও পাকিস্তানি সেনাদের ভয়ে আপনজনের লাশ অনেকে নিতে আসেননি। তাঁদের সবাইকে দেওয়া হয় গণকবর। সেই থেকে জায়গাটির নাম পানাউল্লারচর বধ্যভূমি।’
বন্ধুদের কেউ ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পানি আনেন, কেউ ঝাড়ু দেন, কেউ ধুয়েমুছে পরিষ্কার করেন। ঘণ্টাখানেক পর বধ্যভূমি তার পুরোনো রূপ ফিরে পায়। পরিষ্কার করার সময় আগ্রহী অনেকেই দেখতে আসেন, বন্ধুসভার কাজের প্রশংসা করেন। একজন বলল, ‘আপনাদের অনেক ধন্যবাদ জায়গাটি পরিষ্কারের জন্য।’ বধ্যভূমির পাশেই আছে মনচূড়া কফি হাউস। কফি হাউসের কর্ণধার শাহীন কাদীর এসে বন্ধুদের বলেন, ‘সব শেষ করে আমার এখানে খিচুড়ি খেয়ে যাবেন সবাই। আপনাদের এই কাজের জন্য আমার পক্ষ থেকে উপহার।’
বধ্যভূমি গড়ে ওঠার পেছনে গল্প শোনান প্রথম আলোর নিজস্ব প্রতিবেদক সুমন মোল্লা। তিনি বলেন, ‘১৪ এপ্রিল ভৈরবে প্রবেশ করে পাকিস্তানি বাহিনী। আকাশে দেখা গেল চারটি জেট বিমান, একাধিক হেলিকপ্টার ও গানশিপ। শুরু হয় নির্বিচার হত্যা, গুলিবর্ষণ আর অগ্নিসংযোগ। প্রাণ বাঁচাতে হাজারখানেক মানুষ জড়ো হন উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের পানাউল্লারচর খেয়াঘাটে। উদ্দেশ্য নৌকাযোগে ব্রহ্মপুত্র পাড়ি দিয়ে পার্শ্ববর্তী নরসিংদীর বেলাব উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে আশ্রয় নেওয়া। খেয়াঘাটে হাজারো মানুষের ঢল, কিন্তু খেয়া মাত্র একটি। কেউ সাঁতরে, ছোট শিশুদের কোলে নিয়ে যে যাঁর মতো নদী পার হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। কিন্তু খেয়া পার হওয়ার আগেই পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে শহীদ হন সাড়ে তিন শ মানুষ। রক্তে ব্রহ্মপুত্রের স্বচ্ছ পানি লাল হয়ে গিয়েছিল। সবকিছু থেমে যাওয়ার পরও পাকিস্তানি সেনাদের ভয়ে আপনজনের লাশ অনেকে নিতে আসেননি। তাঁদের সবাইকে দেওয়া হয় গণকবর। সেই থেকে জায়গাটির নাম পানাউল্লারচর বধ্যভূমি।’


