মাদকবিরোধী আন্দোলন
শ্রেণিভেদ ভুলে সবাইকে সমানভাবে গ্রহণ করার পাঠ দিতে হবে
ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে একটি বৈষম্যহীন ও ইনক্লুসিভ (সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার) মানসিকতায় গড়ে তুলতে অভিভাবকদের কী করণীয়?
এর উত্তরে ডা. আহমেদ হেলাল বলেন, ‘সন্তানকে শৈশব থেকেই সবাইকে সমানভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা শেখানো জরুরি। সমাজের সব অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্তরের মানুষের সাথে তাকে মেলামেশার সুযোগ দিতে হবে। যেমন—স্কুলে ইউনিফর্ম পরা কিংবা একই ধরনের টিফিন খাওয়ার পেছনের মনস্তাত্ত্বিক উদ্দেশ্যই হলো ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সমতা তৈরি করা। অভিভাবকরা যদি ঘরে বসে বলেন, অমুক বস্তিতে থাকে, তার সাথে মিশবে না কিংবা অমুকের অভিভাবক ভালো না, তার সঙ্গে কথা বলবে না—তখন সন্তানের মনের মধ্যে মারাত্মক বৈষম্য ও অহংকার তৈরি হয়। অথচ সমাজের তথাকথিত পিছিয়ে পড়া অবস্থান থেকেও অগণিত মেধাবী ও সফল মানুষ উঠে আসেন। তাই সন্তানদের সঙ্গে কথা বলার সময় অভিভাবকদের শব্দ চয়ন ও ভাষার ব্যবহারের প্রতি সর্বোচ্চ সচেতন হতে হবে।’
ছোটবেলা থেকেই সন্তানকে একটি বৈষম্যহীন ও ইনক্লুসিভ (সবাইকে অন্তর্ভুক্ত করার) মানসিকতায় গড়ে তুলতে অভিভাবকদের কী করণীয়?
এর উত্তরে ডা. আহমেদ হেলাল বলেন, ‘সন্তানকে শৈশব থেকেই সবাইকে সমানভাবে গ্রহণ করার মানসিকতা শেখানো জরুরি। সমাজের সব অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্তরের মানুষের সাথে তাকে মেলামেশার সুযোগ দিতে হবে। যেমন—স্কুলে ইউনিফর্ম পরা কিংবা একই ধরনের টিফিন খাওয়ার পেছনের মনস্তাত্ত্বিক উদ্দেশ্যই হলো ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে সমতা তৈরি করা। অভিভাবকরা যদি ঘরে বসে বলেন, অমুক বস্তিতে থাকে, তার সাথে মিশবে না কিংবা অমুকের অভিভাবক ভালো না, তার সঙ্গে কথা বলবে না—তখন সন্তানের মনের মধ্যে মারাত্মক বৈষম্য ও অহংকার তৈরি হয়। অথচ সমাজের তথাকথিত পিছিয়ে পড়া অবস্থান থেকেও অগণিত মেধাবী ও সফল মানুষ উঠে আসেন। তাই সন্তানদের সঙ্গে কথা বলার সময় অভিভাবকদের শব্দ চয়ন ও ভাষার ব্যবহারের প্রতি সর্বোচ্চ সচেতন হতে হবে।’
Source: https://trust.prothomalo.com/activities/drug-abuse/azfdmkqimn
