বাংলাদেশ

সকালেই পড়ুন আলোচিত ৫ খবর

দিনের শুরু হোক আলোচিত ৫ খবরের পসরা সাজিয়ে

শুভ সকাল। আজ ২৭ সেপ্টেম্বর, রোববার। গতকালের কর্মব্যস্ততায় হয়তো অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবর আপনার চোখ এড়িয়ে গেছে। তাই দিনের শুরুতেই একনজরে দেখে নিন দেশ-বিদেশের আলোচিত পাঁচটি খবর ও তার নেপথ্যের বিশ্লেষণ।

রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকার রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে চালানো তাণ্ডব ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে প্রশাসন। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান সাফ জানিয়েছেন, এমন বিশৃঙ্খলা সরকার কোনোভাবেই সমর্থন করে না। জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করতে তিনি পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

জাতীয় জাদুঘরের ৩৩ নম্বর গ্যালারি এখন ইতিহাসের এক জীবন্ত সাক্ষী। সেখানে ধ্রুপদি শিল্পকলা বিভাগের কাচের বাক্সে রাখা পুরোনো ফারসি দলিলগুলো দর্শকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করছে। কেউ কৌতূহলী চোখে হরফগুলো পড়ার চেষ্টা করছেন, কেউবা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন বিবর্ণ কাগজের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রাচীন ইতিহাস। ইতিহাসের এই টানে গ্যালারিটিতে এখন দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়।

জিম্বাবুয়ে থেকে পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসা দুটি চিতাবাঘের ঠিকানা এখন অনিশ্চয়তার মুখে। জিম্বাবুয়ের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রাণি দুটিকে ফিরিয়ে নিয়ে পুনর্বাসন করতে আগ্রহী হলেও বাদ সেধেছে দেশটির সরকার। গত দুই বছর ধরে বাংলাদেশের বন অধিদপ্তর চিতাবাঘ দুটিকে ফেরত নিতে বারবার অনুরোধ জানালেও জিম্বাবুয়ে সরকার তাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। ফলে উদ্ধার হওয়া এই বাঘ দুটির ভবিষ্যৎ এখন ঝুলে আছে সরকারি অনুমতির অপেক্ষায়।

বিশ্বের দুই প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধানের বৈঠকে কাটেনি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের টানাপোড়েন। বাণিজ্য সংক্রান্ত সামান্য কিছু সমঝোতা ছাড়া তাইওয়ান ইস্যু, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইরান ও ইউক্রেন যুদ্ধ কিংবা মানবাধিকার পরিস্থিতির মতো বড় বিষয়গুলোতে কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই কূটনৈতিক শীতলতা নিরসনে এবারের বৈঠকও বড় কোনো ফল বয়ে আনতে ব্যর্থ হয়েছে।

ক্রিকেট বিশ্বের উজ্জ্বল নক্ষত্র বিরাট কোহলি এখন আর সেই ২২ বছরের তরুণ নন। অভিজ্ঞতার ঝুলি সমৃদ্ধ করে তিনি এখন ৩৭ বছর ৩২৫ দিন বয়সী এক পরিণত তারকা। সময়ের আবর্তে ক্রিকেটের অনেক ইতিহাস নতুন করে লিখেছেন তিনি। তবে প্রকৃতির নিয়ম মেনেই কি কোহলির সেই তেজ ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে আসছে? কবি জীবনানন্দ দাশের সেই বিখ্যাত পঙক্তিটি যেন এখানে ভীষণ প্রাসঙ্গিক—‘নক্ষত্রেরও একদিন মরে যেতে হয়’।

Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/vdwvzop9q8

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *