
তবে বিষয়টির গভীরতা কেবল নৌকার ইঞ্জিনের শব্দে সীমাবদ্ধ নয়। প্রাণিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা যথার্থই প্রশ্ন তুলেছেন—জাতীয় চিড়িয়াখানার মতো কৃত্রিম হলেও একটি সংবেদনশীল সংরক্ষিত স্থানে নৌকাভ্রমণের এই আয়োজন আদৌ কতটা যৌক্তিক? ৩২ একর আয়তনের ওই দক্ষিণ হ্রদ কেবল এক জলাশয় নয়; সেখানে বহু জলজ পশুপাখির আবাসস্থল ছিল এবং একসময় প্রচুর পরিযায়ী পাখি সেখানে শীতের আশ্রয়ে আসত। যান্ত্রিক কোলাহল, বাণিজ্যিক উন্মাদনা আর কায়িক উপস্থিতি দিয়ে হ্রদের পরিবেশ নষ্ট করলে বন্য প্রাণীরা ভীতির মুখোমুখি হবে এবং পরিযায়ী পাখিদের আসার পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানার হ্রদে দর্শনার্থীদের নৌকাভ্রমণের সুবিধা দিতে যে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, তা চিড়িয়াখানার মূল কাঠামোর সঙ্গে চরম সাংঘর্ষিক। একটি সুরক্ষিত চিড়িয়াখানার প্রাথমিক দায়িত্ব যেখানে প্রাণীদের মানসিক ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখা, সেখানে হ্রদের বুকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা নামানোর এই প্রচেষ্টা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
তবে বিষয়টির গভীরতা কেবল নৌকার ইঞ্জিনের শব্দে সীমাবদ্ধ নয়। প্রাণিবিদ ও বিশেষজ্ঞরা যথার্থই প্রশ্ন তুলেছেন—জাতীয় চিড়িয়াখানার মতো কৃত্রিম হলেও একটি সংবেদনশীল সংরক্ষিত স্থানে নৌকাভ্রমণের এই আয়োজন আদৌ কতটা যৌক্তিক? ৩২ একর আয়তনের ওই দক্ষিণ হ্রদ কেবল এক জলাশয় নয়; সেখানে বহু জলজ পশুপাখির আবাসস্থল ছিল এবং একসময় প্রচুর পরিযায়ী পাখি সেখানে শীতের আশ্রয়ে আসত। যান্ত্রিক কোলাহল, বাণিজ্যিক উন্মাদনা আর কায়িক উপস্থিতি দিয়ে হ্রদের পরিবেশ নষ্ট করলে বন্য প্রাণীরা ভীতির মুখোমুখি হবে এবং পরিযায়ী পাখিদের আসার পথ স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাবে।
মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানার হ্রদে দর্শনার্থীদের নৌকাভ্রমণের সুবিধা দিতে যে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে, তা চিড়িয়াখানার মূল কাঠামোর সঙ্গে চরম সাংঘর্ষিক। একটি সুরক্ষিত চিড়িয়াখানার প্রাথমিক দায়িত্ব যেখানে প্রাণীদের মানসিক ও শারীরিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীববৈচিত্র্যের ভারসাম্য বজায় রাখা, সেখানে হ্রদের বুকে ইঞ্জিনচালিত নৌকা নামানোর এই প্রচেষ্টা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
Source: https://www.prothomalo.com/opinion/editorial/u1gl3jum54