সিদ্ধিরগঞ্জে ইটের দেওয়াল ভেঙে জায়গা দখলের অভিযোগ শুকুর আলী গংদের বিরুদ্ধে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে নির্মাণাধীন ছয় ফুট উচ্চতার ইটের দেওয়াল ভাঙচুর করে জায়গা দখলের অভিযোগ উঠেছে শুকুর আলীসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে নাসিক ১ নম্বর ওয়ার্ডের মিজমিজি বাতানপাড়া বাঁশবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
জমির মালিক ও ভুক্তভোগী আব্দুল আউয়াল অভিযোগে উল্লেখ করেন , এই জায়গা আমার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া, গত তিন বছর ধরে ১.২৫ শতাংশ (এক শতাংশ পঁচিশ পয়েন্ট) জমিতে ছয় ফুট উচ্চতার ইটের দেওয়াল নির্মাণ করে তিনি ভোগদখল করে আসছেন। গত কয়েকদিন আগে ভূমিদস্যূ শুকুর আলী আমারে কাছে জায়গা এওয়াজ বদল করার জন্য প্রস্তাব দেন, এতে আমি রাজি না হওয়ায় বৃহস্পতিবার সকালে হঠাৎ শুকুর আলীসহ ৩০-৩৫ জনের একটি দল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে ওই দেওয়াল ভাঙচুর শুরু করে। দেওয়াল ভাঙচুরে বাধা দিলে আমাকে, আমার ছেলে রাকিব ও স্ত্রীকে মারধরের জন্য অভিযুক্তরা তেড়ে আসেন। এ সময় তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় এবং বসতবাড়ি থেকে তাদের উচ্ছেদ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগে বলেন, তার নির্মাণ করা ইটের দেওয়াল ভেঙে সেই ইট ব্যবহার করেই অভিযুক্তরা নতুন করে দেয়াল নির্মাণ করছেন।
এ ঘটনায় প্রতিকার চেয়ে নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধি আইনে মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আব্দুল আউয়াল। মামলার নম্বর ৫৭৮/২০২৬।
অভিযুক্তরা হলেন, মিজমিজি বাতানপাড়ার শাহাবুদ্দিনের ছেলে শুকুর আলী (৫৫), রুহুল (৪২) এবং মৃত নুর মোহাম্মদের ছেলে জালাল উদ্দিন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শুকুর আলী বলেন,আউয়ালের দাদা অনেক আগেই ৩৬ শতাংশ জমি বিক্রি করে গেছেন। পরে তার ভাই মামলা করে ১৮ শতাংশ জমি তাদের নামে নিয়ে আসেন। আমরা আমাদের নিজস্ব জায়গাতেই আছি, অন্য কারও জায়গায় যাইনি। আউয়াল আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করছেন এবং আমাদের ফাঁসানোর চেষ্টা করছেন। ইটের দেয়ালটি আমিই নির্মাণ করেছি। আমি কারও দেয়াল ভাঙচুর করে জায়গা দখল করিনি। আমরা কাগজপত্রের বাইরে কোনো কথা বলব না। যার বৈধ কাগজপত্র থাকবে, জমি তারই হবে।##