নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আলোচিত সাহেব আলীকে ঘিরে প্রকাশিত একটি সংবাদে নিরীহ ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমানকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে।
প্রকাশিত সংবাদে হাবিবুর রহমানকে জড়িয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করা হলেও তার কোনো বক্তব্য নেওয়া হয়নি বলে জানান তিনি।
ব্যবসায়ী হাবিবুর রহমান বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় সুনামের সঙ্গে ব্যবসা করে আসছেন। সাহেব আলীর সঙ্গে তার কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, সন্ত্রাসী কার্যক্রম কিংবা মাদক ব্যবসার সম্পৃক্ততা নেই। অথচ তার বক্তব্য না নিয়েই একটি পক্ষের মনগড়া ও মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে সংবাদে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সংবাদে তার সম্পর্কে যে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর ও তার সামাজিক এবং ব্যবসায়িক সুনাম ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা।
কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে উক্ত ব্যক্তির বক্তব্য জানা সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির অংশ হলেও এ ক্ষেত্রে তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হয়নি।
হাবিবুর রহমান আরও বলেন, অপরাধীর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের অধিকার গণমাধ্যমের রয়েছে, কিন্তু নিরপরাধ কোনো ব্যক্তিকে প্রমাণ ছাড়া অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েন প্রকৃত তথ্য যাচাই করে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানান তিনি।
হাবিবুর রহমানের দাবি, প্রকাশিত সংবাদে তার সম্পর্কে যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর যথাযথ প্রমাণ থাকলে তা প্রকাশ করা হোক। অন্যথায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সংশোধন করে প্রত্যাহার এবং তার বক্তব্য প্রকাশের দাবি জানান তিনি।
একই সঙ্গে তিনি সাংবাদিক সমাজ ও সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের দেওয়া তথ্যের ওপর একতরফাভাবে নির্ভর না করে সংশ্লিষ্ট সবার বক্তব্য নিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ করা হোক। এতে প্রকৃত অপরাধীরা যেমন চিহ্নিত হবে, তেমনি নিরপরাধ ব্যক্তিরাও হয়রানি ও সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়া থেকে রক্ষা পাবেন।