কোটা আন্দোলনে নারায়ণগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আরও ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সেই সাথে নতুন করে ২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এনিয়ে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৬৩ জন, মোট মামলা ২৯টি।
পুলিশ জানিয়েছে, কোটা আন্দোলনের সুযোগ নিয়ে আসামিরা চাষাঢ়া মোড়, ২নং রেলগেট, সদর থানা, ফতুল্লা থানার জালকুড়ি, ভূঁইগড়, সাইনবোর্ড, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার শিমরাইল, চিটাগাং রোড, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোড়ে পুলিশের ওপর আক্রমণ, সরকারি অফিস সার্ভিসের গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর করে। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ও পুলিশ পিবিআইএ অফিসেও তারা হামলা করে। এছাড়াও কাঁচপুর মেঘনা টোল প্লাজা, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মদনপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ করে।
সেই সাথে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড এসবি গার্মেন্ট, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন, সাইনবোর্ড হাইওয়ে পুলিশ বক্স, বন্দর ধামগড় ফাঁড়ি, জালকুড়ি শীতল বাস ডিপো পুড়িয়ে দেয়। শিমরাইল ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মোড়ে হাইওয়ে পুলিশ বক্সে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে। এক পর্যায়ে গত ২১ জুলাই পুলিশ, বিজিবি, র্যাব, সেনাবাহিনী যৌথ অভিযান চালিয়ে নাশকতাকারীদের অপসারণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। রবিবার (২৮ জুলাই) পর্যন্ত গ্রেপ্তারের সংখ্যা ছিল ৫১২ জন এবং মামলার সংখ্যা ছিল ২৭টি।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম-অপারেশন) চাইলাউ মারমা জানান, ২৭ জুলাই হতে ২৮ জুলাই পর্যন্ত ৫১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর পাশাপাশি সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি ও ফতুল্লা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।