এসময় অবৈধ ক্ষতিকারক কেমিক্যাল জব্দকরা ও বিপুল পরিমানে আইসক্রিম ধ্বংস করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাক্টরীর মালিক স্বীকার করেছে যে, তারা ডাইংয়ের পানিও ব্যবহার করেছে। ডাইংয়ের রং ব্যবহার করে যদি আইসক্রীম তৈরী করে আর সেই আইসক্রীম কোমলমতি শিশুরা খেলে কি পরিমান ক্ষতি হতে পারে তা চিন্তাও করা যায় না। এক কথায় তাদের আইসক্রীম তৈরীর প্রক্রিয়া ভয়ঙ্কর। এই ধরনের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে ভোক্ত অধিকার সংরক্ষন অধিদপ্তরের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সেলিমুজ্জামান।
সেলিমুজ্জামান জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ও জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয় কর্তৃক অর্পিত ক্ষমতাবলে ফতুল্লার ভুইগড় এলাকায় অবস্থিত জোহান আইসক্রিম ফ্যাক্টরী বিএসটিআই’র অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে আইসক্রীম তৈরী করছে। এছাড়া ফুডগ্রেড রং ব্যবহারের পরিবর্তে বিভিন্ন প্রকার কাপড়ের রং ব্যবহার করছে। এবং অনুমোদনবিহীন বিভিন্ন ক্ষতিকারক ফ্লেভার ব্যবহার করার অপরাধে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৪২ ধারায় ২৫ হাজার টাকা এবং ৪৩ ধারায় ২৫ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে।
